পরবর্তী বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) কবে অনুষ্ঠিত হবে, তা এখনও নির্দিষ্ট নয়। ডিসেম্বরে আয়োজনের চেষ্টা থাকলেও পিছিয়ে মে মাস পর্যন্ত চলে যেতে পারে। যদিও আসরের সময়সূচি নিশ্চিত নয়, তবে জুয়ার কেলেঙ্কারি থেমে নেই।
এরই মধ্যে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের তরুণ এক ফাস্ট বোলারকে পরবর্তী বিপিএলে খেলার প্রস্তাব দেওয়া হয়, যা করেছেন ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটে তার সতীর্থ। প্রস্তাব পাওয়ার পাঁচ দিন পরই ক্রিকেটার বিষয়টি বিসিবিকে জানান, এরপর দুর্নীতিবিরোধী বিভাগ (আকু) তদন্তে নামে। যদিও জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ক্রিকেটার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
নতুন অভিযুক্তের সঙ্গে পুরনো এক অভিযুক্তকেও নজরদারিতে রাখা হয়েছে। আকুর তথ্য অনুযায়ী, পরের বিপিএলে নতুন মালিকানা ও দল বাছাই সংক্রান্ত তৎপরতায় জড়িত ক্রিকেটারদের কর্মকাণ্ড ২০২৫ সালের জুন থেকে নজরে রাখা হচ্ছে। গত ২০ জুলাই একটি দল পাইয়ে দেওয়ার পাশাপাশি চার-পাঁচটি ম্যাচে বাইরের নির্দেশ অনুযায়ী খেলার প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
প্রস্তাব পাওয়া ক্রিকেটার ২৫ জুলাই বিষয়টি বিসিবিকে অবহিত করেন। এরপর আকু অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে হাজিরা নিশ্চিত করেছে। গতকাল সকাল ১০টায় প্রায় ৩০ মিনিট ধরে বিসিবির কর্মকর্তাদের কাছে উপস্থিত ছিলেন। এ পর্যন্ত স্পট ফিক্সিং তদন্তে নাম জড়ায়নি ত্রিশোর্ধ্ব বাঁহাতি স্পিনারও, যিনি শেষ বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের খেলোয়াড় ছিলেন।
এ ধরনের ঘটনার কারণে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিভাগের কাছে তদন্ত হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। সম্প্রতি ঢাকায় এসেছেন বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সাবেক প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল, যিনি বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী বিভাগের কাজের প্রশিক্ষণ ও সহায়তায় যুক্ত হবেন।
অতীতে আকু বিপিএলের শুরুতে স্পট ফিক্সিং তদন্তে অনেক দূর এগিয়েছিল। স্বাধীন তদন্ত কমিটি ও আইসিসির সহযোগিতা চাওয়া হলেও বোর্ডের শীর্ষ মহল তদন্ত থামিয়ে দেয়। তখন ৩৫ বছর বয়সী জাতীয় দলের ডানহাতি পেসার ও শ্রীলঙ্কা সফরে খেলা এক ক্রিকেটারের প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছিল। এখন পরের বিপিএলকে কেন্দ্র করে তদন্ত ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।